টুইটার কেনার বিষয়টির সূত্রপাত হয় এপ্রিলের শুরুর দিকে। মাস্ক প্রথমে টুইটারের ৯ দশমিক ২ শতাংশ শেয়ার কেনেন। রীতিমাফিক তখন তাঁকে পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর ১৪ এপ্রিল মাস্ক হঠাৎই পুরো টুইটার কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। বলেন, সামাজিক মাধ্যমে যে অমিত সম্ভাবনা আছে, তার অর্গল খুলে দিতে চান তিনি।

default-image

মাস্ক কিছুদিন আগে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন, টুইটারের আরও উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ হওয়া উচিত। এটি বাক্‌স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্তিমূলক এলাকা হওয়া উচিত। তিনি নিজের সাড়ে আট কোটি অনুসরণকারীর উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, টুইটারে এডিট বাটন বা সম্পাদনার সুযোগ রাখা উচিত কি না। উত্তরে ৭৪ শতাংশ মানুষ বলেন, ‘হ্যাঁ, রাখা উচিত।’

এখন মাস্কের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে কে টুইটার পরিচালনা করবেন, তা পরিষ্কার নয়। কোম্পানির ওয়েবসাইট অনুসারে তিনি টেসলার প্রধান নির্বাহীর পাশাপাশি ‘টেকনোকিং’। এ ছাড়া একাধারে তিনি প্রধান নির্বাহী, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা এবং রকেট ও মহাকাশযান সংস্থা স্পেসএক্সের চেয়ারম্যান। মাস্ক আরও বেশ কয়েকটি ব্যবসা ও স্টার্টআপের সঙ্গে জড়িত।

এখন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ পরাগ আগরওয়াল। টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসির সমর্থনে গত নভেম্বরে তিনি দায়িত্ব পেয়েছিলেন।

সেই সময় ডরসি বলেছিলেন, ‘টুইটারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে পরাগের ওপর আমার আস্থা গভীর। আমি তাঁর দক্ষতা, সহৃদয়তা ও আত্মার প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এখন তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার সময়।’

মাস্ক ইতিমধ্যে টুইটারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা করেছেন। প্রস্তাবপত্রে তিনি টুইটারের চেয়ারম্যান ব্রেট টেলরকে বলেছেন, ‘ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষে আমার আস্থা নেই।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন