default-image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমপক্ষে অর্ধেক হ্রাস করার প্রতিশ্রুতি দেবেন। এ সম্পর্কে জ্ঞাত দুটি সূত্রের বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য দিয়েছে।

তিন ডজনের বেশি বিশ্বনেতার সঙ্গে একমত হয়ে জো বাইডেন যে ভার্চ্যুয়াল জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজন করছেন, তার আগে এ পদক্ষেপ সম্পর্কে জানা গেল। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ।

বৈশ্বিক নেতাদের সঙ্গে একত্রে আন্তর্জাতিক জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতা কমানোর প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্বের আসনে নিতে বাইডেন এ পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এবার তার দ্বিগুণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০০৫ সালে স্তর অনুযায়ী ২৬ থেকে ২৮ শতাংশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

গত সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসন ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে জলবায়ু সমস্যা সমাধানে বেশি কিছু করবে। আমরা যা করব, তার ওপরই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর ক্ষেত্রে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাজ্য গত মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়ে বলেছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ তারা গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৭৮ শতাংশ কমাবে।

সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন সি

এদিকে বাইডেনের উদ্যোগে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠেয় জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার এ কথা জানিয়েছে। ভার্চ্যুয়াল এই জলবায়ু সম্মেলনই হবে বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর উভয় নেতার প্রথম বৈঠক। বৈঠকে সি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন বলে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে বৈঠকে সির যোগদানের দিন কয়েক আগে যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ুবিষয়ক প্রতিনিধি জন কেরি সাংহাই সফর করেছেন। এ সময়ে উভয় দেশের প্রতিনিধি জলবায়ু বিষয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন