বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ভ্যান হর্নের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে আজ মঙ্গলবার সকালে বেজোস ও তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে রকেটটি মহাকাশের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

উৎক্ষেপণের পর প্রায় ৭৬ কিলোমিটার গিয়ে তাঁদের বহনকারী ক্যাপসুলটি রকেট থেকে আলাদা হবে। পরে উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ২ মাইল দূরে রকেটটি নেমে আসবে। আর ক্যাপসুলটি তাঁদের নিয়ে ১০৬ কিলোমিটার বা ৩ লাখ ৫০ হাজার ফুট ওপরে উড়বে।

মহাকাশ অভিযানে বেজোসের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর ছোট ভাই মার্ক বেজোস, বিশ্বের প্রথম দিককার বিমানচালক ৮২ বছরের ম্যারি ওয়ালেচ (ওয়্যালি ফাঙ্ক নামে সমধিক পরিচিত) এবং একটি প্রাইভেট ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সিইওর ১৮ বছরের ছেলে ওলিভার ড্যামেন। তাঁরা বড় জানালাওয়ালা ক্যাপসুলে চড়ে মহাকাশে ভ্রমণ করবেন। সেখান থেকে পৃথিবীর অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করবেন।

অভিযান শুরুর আগে সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেজোস বলেন, ‘আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। সবাই জানতে চাচ্ছেন, আমি ভয় পাচ্ছি কি না। আমি ভীত নই, বরং আমি কৌতূহলী। এই অভিযান থেকে আমরা কী শিখতে যাচ্ছি, আমি সেটা জানতে চাই।’
এর আগে এই অভিযাত্রা সম্পর্কে বেজোস ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি সারা জীবন মহাকাশে এভাবে উড়তে চেয়েছি। এটি একটি দুঃসাহসিক কাজ এবং আমার জন্য অনেক বড় কিছু।’

যুক্তরাজ্যের লেখক, বহুজাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্বের ৫৭৯তম ধনী স্যার রিচার্ড ব্র্যানসনের ১০ দিন পর বেজোস মহাকাশে গেলেন। রিচার্ড ব্র্যানসন বিশ্বে প্রথমবারের মতো নিজস্ব মহাশূন্যযান ভার্জিন গ্যালাকটিক প্লেনে চড়ে ১০ জুলাই মহাকাশে যান।

মানুষের প্রথম চাঁদে পা রাখার ৫২তম বার্ষিকীতে জেফ বেজোস মহাকাশে গেলেন। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে চড়ে চন্দ্রাভিযানে অংশ নেন নিল আর্মস্ট্রং, মাইকেল কলিন্স ও বাজ অলড্রিন। তখন বেজোসের বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন