ইসরায়েলের হামলায় জটিল হলো ট্রাম্পের ইরান–কৌশল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পরয়টার্স ফাইল ছবি

ইরানে ইসরায়েলের নতুন হামলা শুরু হওয়ার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য কোনো শান্তিচুক্তি করার কাজটি আরও জটিল হয়ে পড়ল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। তিনি আশা করছিলেন, এটি ২০২৪ সালের এপ্রিলের ঘটনার মতো হবে। তখন ইসরায়েল ও ইরান একে অপরের ওপর হামলা চালানোর কয়েক দিনের মধ্যেই উভয় পক্ষ সংযম দেখিয়েছিল। ওই সময় পরিস্থিতি বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

এবারও একই ধরনের আশা করা হচ্ছে। তবে এবার ইরানে ইসরায়েলের হামলার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। কয়েক ঘণ্টা আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, সব সিদ্ধান্ত তিনিই নেন। এখন প্রশ্ন হলো, এ কথার মধ্য দিয়ে তিনি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছিলেন?

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হওয়া আলোচনায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্ভবত স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে ট্রাম্প ইসরায়েলের কাছ থেকে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ দেখতে চাইলেও দেশটির রাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন। নেতানিয়াহুকে নানা রাজনৈতিক বাধা ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে সামাল দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একই সঙ্গে তাঁকে ইসরায়েলি জনগণের সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টাও করতে হয়।

আরও পড়ুন

আর এ পরিস্থিতি ট্রাম্পের জন্য ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলছে। কারণ, তিনি সম্প্রতি বলেছিলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি অথবা অন্তত একটি সমঝোতা স্মারক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে প্রস্তাব ও নথিপত্র আদান-প্রদান চলার কারণে ট্রাম্প বিশ্বাস করেন যে একটি চুক্তির সম্ভাবনা আছে।