কিরবি বিবৃতিতে আরও জানিয়েছেন, বাইডেন প্রশাসন চীনের এই সামরিক মহড়ার নিন্দা জানিয়েছে। ‘যা দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং তাইওয়ান প্রণালিজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য আমাদের দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, কার্ট ক্যাম্পবেলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এশিয়া জার এবং কিনের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বৈঠকটি হয়।

default-image

তাইওয়ান সফরের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও তাঁর পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের এই বৈঠকের কথা জানা যায়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পেলোসি এই সফরের মধ্য দিয়ে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মারাত্মক হস্তক্ষেপ এবং চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন করেছেন।

গত মঙ্গলবার রাতে তাইওয়ানে পৌঁছান পেলোসি। পেলোসির এই সফর ঘিরে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এ জন্য ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল চীন। বর্তমানে এশিয়া সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানে রয়েছেন পেলোসি। আজ তিনি বলেন, তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার সুযোগ চীনকে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।

পেলোসির সফরের প্রতিক্রিয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন। আগামী রোববার দুপুর পর্যন্ত চীনের ছয়টি অঞ্চলে এই মহড়া চলবে। এতে দৃশ্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে তাইওয়ান।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন