যুক্তরাষ্ট্রের রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে আমেরিকান নারী ও রাজনীতিবিষয়ক গবেষণাকেন্দ্র সেন্টার ফর আমেরিকান ওম্যান অ্যান্ড পলিটিকস বলছে, দেশটির মোট গভর্নরসংখ্যার অন্তত ২৪ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করবেন নারীরা।

গবেষণাকেন্দ্রটি আরও বলেছে, এ ফলাফলের পর যুক্তরাষ্ট্রে কখনোই নারী গভর্নর না পাওয়া অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা কমে ১৮ হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে গভর্নর পদে পুনর্বার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আট নারীর প্রত্যেকেই এ বছর সাফল্য পেয়েছেন।

নারী গভর্নর হলেন যাঁরা
ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাট নেতা মরা হিয়ালি গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রথম সমকামী গভর্নরও। এর আগে অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন তিনি।

ট্রাম্পের সাবেক মুখপাত্র সারাহ হাকাবি স্যান্ডার্স আরকানসাসের প্রথম নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন। একসময় তাঁর বাবাও গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নারী গভর্নর ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আরও কিছু নতুন রেকর্ডও হয়েছে।

রিপাবলিকান নেতা কেটি ব্রিট আলাবামার প্রথম সিনেট সদস্য নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
জেনারেশন জেডের (যাঁদের জন্ম ১৯৯৭ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে) প্রথম সদস্য হিসেবে ২৫ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট নেতা ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ডেমোক্র্যাট নেতা ওয়েস মুরও মেরিল্যান্ডের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। রিপাবলিকান নেতা মার্কওয়েন মুলিন প্রায় ১০০ বছর পর ওকলাহোমায় নির্বাচিত প্রথম নেটিভ আমেরিকান সিনেটর হলেন।