প্রথমবারের মতো পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশের চেষ্টা করবে স্টারশিপ রকেট

স্পেসএক্সের স্টারশিপ রকেটের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটফাইল ছবি: স্পেসএক্স

স্পেসএক্সের স্টারশিপ রকেট আজ সোমবার প্রথমবারের মতো পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশের চেষ্টা করবে।

প্রায় তিন বছর আগে স্টারশিপের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন শুরু করে স্পেসএক্স। এবার ১৪তম পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের মাধ্যমে কোম্পানিটি আরও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে এগোতে চাইছে।

ভবিষ্যতে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে অভিযানের জন্য তৈরি বিশাল এই নভোযানের উন্নয়নে এবারের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এবার ১৪তম পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের মাধ্যমে কোম্পানিটি আরও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে এগোতে চাইছে
ছবি: স্পেসএক্স

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক ২০০২ সালে স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় তাঁর উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য ছিল মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন।

চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে স্পেসএক্সের আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) হয়।

সোমবার প্রায় ১০ ঘণ্টার এই পরীক্ষায় সবকিছু পরিকল্পনামতো হলে পরীক্ষামূলক রকেটটির ওপরের অংশ পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে। সেখানে এটি পরবর্তী প্রজন্মের ২৬টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট স্থাপন করবে।

তবে স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে নির্ধারিত এই উৎক্ষেপণে অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটতে পারে। কারণ, এর আগের একাধিক পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন বড় ধরনের বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুন

টেক্সাসে কয়েক বছর ধরে উন্নয়ন ও পরীক্ষার পর স্পেসএক্স ২০২৩ সালে তাদের স্টারশিপ রকেটের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন শুরু করে। সে সময় ইচ্ছাকৃতভাবে রকেটকে ‘সাবঅরবিটাল’ গতিপথে পাঠানো হতো, যা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও কম জটিল।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিটের মধ্যে বিস্ফোরিত হয় স্পেসএক্সের স্টারশিপ রকেট। ১৬ জানুয়ারি ২০২৫
ছবি: রয়টার্স

‘সাবঅরবিটাল’ গতিপথ মানে হলো, রকেটকে এমন পথে ওড়ানো, যাতে সেটি মহাকাশের অনেক ওপরে উঠলেও পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ না করেই পৃথিবীতে ফিরে আসে।

আরও পড়ুন

প্রতিবার উড্ডয়নের পর কালো-রুপালি রঙের বিশাল রকেটটিতে বহু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত উড্ডয়ন করা সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী বস্তু।

তবে স্টারশিপকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য প্রস্তুত করা কিংবা চাঁদ বা মঙ্গলে পৌঁছানোর উপযোগী করে তুলতে এখনো বড় ধরনের কারিগরি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মাস্কের লক্ষ্য, রকেটটি যেন পুরোপুরি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা যায়।

আরও পড়ুন