সাধারণত রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে—এমন অভিযানের ক্ষেত্রে তল্লাশিপরোয়ানা সিলগালা অবস্থায় দাখিল করা হয়। এর মানে পরোয়ানার বিস্তারিত ওই মুহূর্তে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। পরে এটা প্রকাশ করা হয়।

এ ছাড়া তদন্ত চলাকালে ব্যক্তি অধিকার সুরক্ষায় এ নিয়ে কথা বলেন না তদন্ত কর্মকর্তারা। কিন্তু ট্রাম্পের বাসায় এফবিআইয়ের অভিযান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। এ অবস্থায় তল্লাশি পরোয়ানার বিষয়বস্তু প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় বিচার বিভাগ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে গত সোমবার তল্লাশি চালিয়ে ১১ সেট অতি গোপনীয় নথি পেয়েছে এফবিআই।

এর আগে জানুয়ারিতে মার-এ-লাগো থেকে ১৫টি বাক্স পুনরুদ্ধার করে ন্যাশনাল আর্কাইভস। এতে এমন কিছু উপাদান ছিল, যাকে অতি গোপনীয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবারের তল্লাশির আগে ট্রাম্পের আইনি বিপদ নিয়ে জনগণের মধ্যে গুঞ্জন ছিল মূলত প্রেসিডেনশিয়াল রেকর্ডস অ্যাক্ট ঘিরে। হোয়াইট হাউসে থাকার সময় ট্রাম্পের নথিপত্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে তদন্তের অন্য পদক্ষেপগুলোর কারণে এ আইন সামনে আসে।

তবে এটি কোনো ফৌজদারি অপরাধসংক্রান্ত আইন নয়। আইনটিকে তুলনামূলক নখদন্তহীন আইন হিসেবেই দেখা হয়। অন্য যেসব নথি সংরক্ষণ আইন আছে, সেগুলোয় ফৌজদারি দণ্ডের বিষয়টি যুক্ত আছে। তেমনটি একটি আইন হলো মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তি আইন।

তবে জব্দ করা নথির বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। নথিগুলোয় গোপন কিছু নেই এবং সেগুলো নিরাপদ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন