বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, পেলোসি এ সফরের মধ্য দিয়ে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মারাত্মক হস্তক্ষেপ করেছেন। এ সফর চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।

ক্ষুব্ধ চীন পেলোসি ও তাঁর পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। চীনের এ ঘোষণার বিষয়ে গতকালের সংবাদ সম্মেলনে পেলোসির প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়।

প্রশ্ন শুনে পেলোসি হেসে বলেন, একে কে পাত্তা দেয়? এটি তাঁর কাছে গৌণ একটি বিষয়। এর কোনো গুরুত্ব তাঁর কাছে নেই।

পেলোসি বলেন, ‘আমরা তাইওয়ানের প্রশংসা করতে সেখানে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম আমাদের বন্ধুত্ব প্রদর্শনে। এ কথা বলতে, চীন তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না।’

পেলোসি বলেন, চীন একধরনের নতুন স্বাভাবিকতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাঁরা তা হতে দিতে পারেন না।

পেলোসির সফরের জেরে গত বৃহস্পতিবার থেকে তাইওয়ান ঘিরে সামরিক মহড়া শুরু করে চীন। চীনের এ মহড়া গত রোববার শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা রোববারের পরও চলতে দেখা যায়।

চীন গতকাল জানায়, তারা তাইওয়ান ঘিরে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু তারা নিয়মিত টহল অব্যাহত রাখবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ কথার মধ্য দিয়ে চীন সম্ভবত স্বশাসিত দ্বীপটি ঘিরে কয়েক দিন ধরে চালানো সামরিক মহড়া শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা তাইওয়ানের ওপর চাপ বজায় রাখার আভাস দিয়েছে।

চীন গতকাল ঘোষণা দিয়েছে, তাইওয়ানে যেকোনো ধরনের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ তৎপরতার বিরুদ্ধে তারা শূন্য-সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করবে। একই সঙ্গে চীন হুমকি দিয়ে বলেছে, প্রয়োজনে তারা জোর করে স্বশাসিত দ্বীপটি দখল করে নেবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন