টুইটারের সাবেক এক কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে বলেন, ‘আমার মনে হয়, যখন আজ বাস্তব অবস্থা প্রকাশ পাবে, তখন দুই হাজারেরও কম কর্মী অবশিষ্ট থাকবেন।’

কর্মীরা বলছেন, এমনও হয়েছে একটি টিমের সবাইকে ছাঁটাই করা হয়েছে। ওই কর্মী বলেন, ওই টিমের ব্যবস্থাপক এবং তাঁর ব্যবস্থাপককেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ওই টিমের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিটি প্রথম দিন চাকরিচ্যুত হওয়া নির্বাহীদের একজন। ফলে এই চেইন অব কমান্ডে আর কেউই রইলেন না।

মাস্ক টুইটারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগে কোম্পানিটির প্রায় সাড়ে সাত হাজার কর্মী ছিলেন। কোম্পানিটির কয়েক হাজার চুক্তিভিত্তিক কর্মীও ছিল বলে জানা গেছে, যাঁদের অধিকাংশকেই ছাঁটাই করা হয়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে।

আরেক কর্মী জানান, দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য প্রস্তুত হলেও তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এমন কোনো ব্যক্তির জন্য কাজ করতে চাই না, যিনি ই–মেইলে আমাদের একাধিকবার হুমকি দিয়ে বলেছেন—শুধু অসাধারণ টুইটার কর্মীদের এখানে কাজ করা উচিত। অথচ তখনো আমি সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ ঘণ্টা কাজ করছিলাম।’

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে টুইটার কিনে নেওয়ার পর গত মাসে কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেন। এরপর ছাঁটাইসহ বিভিন্ন ইস্যুতে কোম্পানিটিতে চরম অস্থিরতা চলছে।

টুইটারের অফিসগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি বন্ধ হওয়ার পথে কি না, এমন উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে টুইটে মাস্ক বলেন, ‘সেরা মানুষগুলো থাকছেন, তাই আমি অতিমাত্রায় উদ্বিগ্ন নই।’

তবে আরেকটি টুইটে মৃত্যু বা বিপৎসংকেতের চিহ্নযুক্ত সমাধিফলকের মিম পোস্ট করেন মাস্ক, যার ওপর রয়েছে টুইটারের লোগো।