হংকংয়ের কারাবন্দী নেতা জিমি লাইকে ‘রক্ষায়’ জোর চেষ্টা চালাবেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হংকংয়ে কারাবন্দী ‘মিডিয়া মোগল’ জিমি লাইকে রক্ষা করতে তিনি সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এতে খুশি না হলেও তিনি তা করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ট্রাম্প এ কথা বলেছেন।
ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তাঁকে (লাই) রক্ষা করার জন্য যা কিছু করা দরকার তার সব কিছুই আমি করতে যাচ্ছি। দেখি আমরা কী করতে পারি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু করব।’
৭৭ বছর বয়সী লাইয়ের বিরুদ্ধে হংকংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় বিদেশি শক্তির সঙ্গে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রবিরোধী বিষয়বস্তু প্রকাশের ষড়যন্ত্র করার আলাদা একটি অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে লাই নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তাঁকে (লাই) রক্ষা করার জন্য যা কিছু করা দরকার, তার সব কিছুই আমি করতে যাচ্ছি। দেখি আমরা কী করতে পারি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু করব।
২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ১ হাজার ৫০০ দিনের বেশি সময় ধরে নির্জন কারাবাসে আছেন লাই।
ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ বলেন, লাই হংকংয়ে ‘চীনবিরোধী অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডের এক প্রধান পরিকল্পনাকারী ও অংশগ্রহণকারী’ ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘মামলা-মোকদ্দমাকে অজুহাত করে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের শক্তির নাক গলানো বা হংকংয়ের আইন ও বিচারব্যবস্থাকে ক্ষতি করার ঘোর বিরোধিতা জানাচ্ছি আমরা।’
ট্রাম্প বলেন, বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে তিনি লাইয়ের বিষয়টি উত্থাপন করবেন।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পরস্পরের পণ্যে তিন অঙ্কের শুল্ক আরোপ এড়াতে আরও ৯০ দিনের জন্য শুল্কবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছে। এর পরদিন মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, আগামী দুই–তিন মাসের মধ্যে দুই দেশের বাণিজ্যবিষয়ক কর্মকর্তারা আবারও বৈঠকে বসবেন। সেখানে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে।