default-image

অভিযানের সময় ট্রাম্প নিউইয়র্কে ট্রাম্প টাওয়ারে অবস্থান করছিলেন। তাঁর বিবৃতির শুরুটা ছিল ঠিক এই রকম, ‘এ ঘটনা জাতির জন্য কালো দিন’। সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করার ও সহযোগিতার পরও আমার বাড়িতে এই অঘোষিত অভিযানের প্রয়োজন কিংবা তা যথাযথ ছিল না। এমনকি তারা আমার অনুমতি না নিয়েই ঢুকে পড়ে।’

ট্রাম্প বলেন, এটা ‘বিচারিক অসদাচরণের’ শামিল এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবার তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে ‘বিচারব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের’ নামান্তর।

সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এ ধরনের হয়রানি শুধু তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেই ঘটতে পারে। দুঃখজনকভাবে আমেরিকা এখন সেসব দেশে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতির এই মাত্রা আগে কখনো দেখা যায়নি।’

এদিকে এফবিআইয়ের অভিযানের খবর পেয়ে মার-এ-লাগো রিসোর্টের আশপাশে জড়ো হন ট্রাম্পের সমর্থকেরা। এ সময় দলীয় পতাকার পাশাপাশি তাঁদের হাতে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের তাঁদের সব চিঠি, কাজের নথি ও ই–মেইল ন্যাশনাল আর্কাইভসে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধভাবে অনেক নথি ছিঁড়ে ফেলেছেন।

ন্যাশনাল আর্কাইভস জানায়, তারা মার-এ-লাগো থেকে ১৫টি বাক্স পুনরুদ্ধার করেছে। এসব বাক্সের কয়েকটিতে স্পর্শকাতর অতি গোপনীয় নথিপত্র ছিল।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন