সূত্রের বরাতে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে পেন্স নিজ বাড়িতে তল্লাশি চালানোর জন্য তাঁর আইনজীবীকে বলেছিলেন। এরপরই আইনজীবী পেন্সের বাড়িতে থাকা চারটি বাক্সে তল্লাশি চালান। তবে সূত্রের নাম প্রকাশ করেনি সিএনএন।

নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মাইক পেন্স একজন নিরীহ মানুষ। তিনি জীবনে কখনো জেনেশুনে অসৎ কাজ করেননি। তাঁকে তাঁর মতো করে থাকতে দিন।’

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গোপনীয় নথি পাওয়া নিয়ে বিতর্ক চলার মধ্যেই পেন্সের বাড়িতেও গোপনীয় নথি পাওয়া গেল। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন বাইডেন। গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি জানুয়ারি পর্যন্ত মোট তিন দফায় বাইডেনের বাড়ি ও ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে গোপন নথি উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। প্রথম নথি উদ্ধারের ঘটনা ঘটে ওয়াশিংটনে বাইডেনের সাবেক ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে। এরপর ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যে তাঁর বাড়ির গ্যারেজে পাওয়া যায় নথির সন্ধান। সবশেষ গত শনিবার একই বাড়ি থেকে আবার গোপন নথি উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব ছাড়ার পর হোয়াইট হাউস ছেড়ে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে নিজ বাসভবনে যাওয়ার সময় সঙ্গে করে জাতীয় গোপনীয় নথি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, নথিগুলো ন্যাশনাল আর্কাইভের কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টরা দায়িত্ব ছাড়ার সময় তা–ই করে থাকেন।

বাইডেনের নথিগুলো তদন্ত করছেন বিচার বিভাগের বিশেষ আইনি উপদেষ্টা রবার্ট হুর আর ট্রাম্পের নথিগুলো তদন্ত করছেন জ্যাক স্মিথ।