পুলিশ বলছে, বাসায় ঢুকে শুধু চুরি করেই থেমে থাকেননি তিনি। সেখানে রাত কাটানোর আগে ডিমভাজি ও নুডলস রান্না করে ভোজন পর্বও সারেন। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে জ্বালানো হয় কয়েল। এমনকি দেয়ালে দুটি মৃত মশা ও রক্ত দেখতে পায় পুলিশ।

মৃত মশা দুটি দেখে সন্দেহ হয় পুলিশ কর্মকর্তাদের। তাঁরা ধরে নেন, মশা দুটি মেরেছেন ওই চোরই। আর সেগুলোর শরীরে থাকা রক্তও তাঁর। কারণ, বাসাটির দেয়ালগুলো ছিল একেবারেই পরিষ্কার। আর ওই বাসার বাসিন্দারা যদি মশাগুলো মারতেন, তাহলে তখনই তা পরিষ্কার করে ফেলতেন।

এরপর মশার শরীরে পাওয়া সেই রক্তের নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠায় পুলিশ। পরীক্ষার পর ওই রক্তের নমুনা মিলে যায় চাই নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। এর আগেই অবশ্য নানা অপকর্মের জন্য পুলিশের খাতায় নাম লিখিয়েছেন ওই ব্যক্তি। ৩০ জুন তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চুরির ঘটনা স্বীকার করেন চাই। সামনে আনেন আরও চার চোরের নাম।

এদিকে মৃত মশার সহায়তায় চোর ধরার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। মজার মজার মন্তব্য করেছেন অনেকে। তাঁদের একজন লিখেছেন, ‘এ ঘটনার মধ্য দিয়ে মশারা প্রতিশোধ নিয়েছে। আমি তো ভাবতাম মশাদের কোনো দরকারই নেই। এখন তা দেখছি ভুল।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন