
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও বিদ্যুৎ খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রোডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইপিপিএ) পক্ষ থেকে ৫০ হাজার পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) ও ৫০ হাজার করোনা শনাক্তকরণ কিট দেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে। ইতিমধ্যে ৪ হাজার পিপিই ও ৪ হাজার কিট হস্তান্তর করেছে। বাকিটা কিট ও পিপিই আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহ করবে তারা।
আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সংবাদ এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকে ৪ হাজার পিপিই ও ৪ হাজার কিট হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পুলিশের জন্য ২ হাজার পিপিই দেওয়া হয় পিপিই।
এসময় নসরুল হামিদ বলেন, এই ক্রান্তিকাল আমাদের সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় মোকাবেলা করতে হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত বিদ্যুতের বিল জমা নেওয়া হবে না। মে মাসে বিদ্যুতের বিল জমা নেওয়ার সময় কোনো বিলম্ব মাশুল দেওয়া লাগবে না। এ ছাড়া আবাসিক গ্যাসের বিল আগামী মে পর্যন্ত দিতে নিষেধ করা হয়েছে। জুন মাসে যখন গ্যাসের বিল দেওয়া হবে তখন বিলম্ব মাশুল দিতে হবে না। এ সময় তিনি সকলকে সতর্ক থাকার এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চলার অনুরোধ জানান।
পিপিই ও কিট হস্তান্তরকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, পিপিই এবং টেস্টিং কিট দেশে যথেষ্ট পরিমাণ আছে। পটেনশিয়াল ক্যারিয়াররা যথাযথভাবে কোরান্টিনের নিয়ম মানলে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সহজতর হবে।
এ সময় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমান, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব সুলতান আহমদ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম ও বিআইপিপিএ’র সভাপতি ইমরান করিম উপস্থিত ছিলেন।