কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান। আক্রান্ত ব্যক্তি ১৪ দিন ধরে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স ৬০ বছর। পেশায় কৃষক ছিলেন। বাড়ি উপজেলার গোবরিয়া-আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নে। ১৬ এপ্রিল তাঁর শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা করাতে পরিবারের অনাগ্রহ ছিল। এরপর থেকে তাঁকে নিজ ঘরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখতে ওই ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারীকে দায়িত্ব দেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসকেরা গিয়েও তাঁর খোঁজ-খবর নিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় আজ সকাল আটটার দিকে তাঁর প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। একপর্যায়ে সকাল পৌনে নয়টার দিকে তিনি মারা যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওমর খসরু মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, মারা যাওয়া ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শ্বাসকষ্ট সমস্যায় ভুগছিলেন। আগের দিন তাঁর শরীর থেকে দ্বিতীয়বারের মতো নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছিল। এই অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
জ্বর–শ্বাসকষ্ট নিয়ে মৃত্যু
এদিকে গতকাল বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাড়ি উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই ব্যক্তি ঢাকায় চকবাজারে থাকতেন। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। তখন শরীরে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ছিল।
কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন মুজিবুর রহমান বলেন, যেহেতু মারা যাওয়া ব্যক্তি ঢাকা থেকে এসেছেন এবং শরীরে জ্বর-সর্দি ছিল, সে কারণে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। দাফনও করা হয়েছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির নিয়ম অনুসরণ করেই।