ঢাকা আইনজীবী সমিতির বৃহস্পতিবারের ভোট স্থগিত

ঢাকা আইনজীবী সমিতির (বার) ২০১৯-২০ কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই দিনব্যাপী নির্বাচনের প্রথম দিনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। সরকারি ছুটি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয় দিনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার সমিতির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাদল।

এদিকে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৯-২০ কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই দিনব্যাপী নির্বাচনের প্রথম দিনে চার হাজার আইনজীবী ভোট দেন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাদল প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ছুটি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে আইনজীবী নেতাদের নিয়ে কমিশন বৈঠক করেছে। বৈঠকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবারের ভোট গ্রহণ স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে সাধারণ সভা করে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

ঢাকা আইনজীবী সমিতি এশিয়ার বৃহত্তম আইনজীবী সমিতি হিসেবে পরিচিত। এই সমিতির সদস্যসংখ্যা ২৪ হাজার ৬৮৪ জন। সদস্যদের মধ্যে ১৭ হাজার ৮৯৭ জন ভোটার হয়েছেন।প্রথম দিনে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে মধ্যখানে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। বৃহস্পতিবারও সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। তবে সরকারি ছুটি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হবে কি না, তা নিয়ে বৈঠক চলছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ–সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত সাদা প্যানেল এবং বিএনপি ও জামায়াত–সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্যজোট মনোনীত নীল প্যানেলের ২৭টি পদে মোট ৫৪ জন প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

সাদা প্যানেলে সভাপতি পদে গাজী শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আসাদুজ্জামান খান নির্বাচন করছেন। নীল প্যানেলে সভাপতি পদে মো. ইকবাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. হোসেন আলী খান লড়ছেন। 

সাদা প্যানেলে সিনিয়র সহসভাপতি পদে মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান, সহসভাপতি পদে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন দুলাল, ট্রেজারার পদে আবদুল জলিল আফরাদ, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ ওমর ফারুক আসিফ, গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. আতাউর রহমান খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শায়লা পারভীন, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. জাহিদুল ইসলাম কাদির, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. উজ্জ্বল মিয়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে হুমায়ুন খন্দকার, সদস্য পদে আয়েশা বিনতে আলী, এ এইচ এম শফিকুল ইসলাম মোল্লা, হায়াত আল মাহমুদ, কাওছার হাসান, মো. সাব্বির হাসান, মো. বাহারুল ইসলাম বাহার, মো. হাসান আকবার আফজাল, মো. ইব্রাহিম হোসেন, মো. জুয়েল শিকদার, মো. মাসুম মিয়া, মো. মাসুম মৃধা, সাইফুল ইসলাম, সৌরভ হোসেন, তানভীর আহমেদ সজিব ও তুষার ঘোষ। 

নীল প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি আবদুস সালাম দেওয়ান, সহসভাপতি পদে এ আর মিজানুর রহমান, ট্রেজারার পদে মো. লুৎফর রহমান আজাদ, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক পদে মো. নিহার হোসেইন ফারুক, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মো. সাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া ছোটন, গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. জিয়াউল হক জিয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোরশেদা খাতুন শিল্পী, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. জুলফিকার আলী হয়দার, খেলাধুলা সম্পাদক পদে মো. মনিরুল ইসলাম ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মাহবুব হাসান, সদস্য পদে আজহার উদ্দিন রিপন, কাজী রাওশান দিল আফরোজ, এম আর রাসেল, মো. বাবুল আক্তার, মো. ইব্রাহিম খলিল, মো. ইকবাল মাহমুদ সরকার, মো. মেহেদী হাসান, মো. রাসেদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ ইব্রাহিম, মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল, মো. ইয়াছিন মিয়া, মোছা. ফারহানা আক্তার, নজরুল হক, শাহীন সুলতানা ও সাদেকুল ইসলাম ভূঁইয়া।