দুর্ঘটনায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ এরশাদ (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এর এক দিন আগে গত বুধবার রাতে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে এরশাদের মোটরসাইকেলের সঙ্গে অপর একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মোহাম্মদ এরশাদ উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেঁওচিয়া মাইজপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ ইউনুচের ছেলে। তিনি কেঁওচিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও কেরানীহাট প্রগতিশীল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সদস্য ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় লোকজন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার রাতে মোহাম্মদ এরশাদ মোটরসাইকেলে করে বান্দরবান থেকে সাতকানিয়ার গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতকানিয়ার মাহালিয়া রাস্তার মাথা এলাকায় কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে সামনের অন্য একটি মোটরসাইকেল হঠাৎ ইউটার্ন দিলে পেছনে থাকা এরশাদের মোটরসাইকেলটি ওই মোটরসাইকেলের সঙ্গে জোরে ধাক্কা খায়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে গিয়ে সড়কের পাশের একটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খান এরশাদ। এ সময় অন্য মোটরসাইকেলের আরোহী মোহাম্মদ সাহেদও আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত দুজনকে উদ্ধার করে কেরানীহাটের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। এরশাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাঁকে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির উদ্দিন রাসেল প্রথম আলোকে বলেন, দ্রুতগতির দুইটি মোটরসাইকেল আগে-পিছে ছুটছিল। সামনের মোটরসাইকেলটি কোনো সংকেত ছাড়া হঠাৎ ইউটার্ন করতে গেলে পেছনের মোটরসাইকেলটি এসে ধাক্কা খায়। এতে মোটরসাইকেলের আরোহী যুবলীগ নেতা এরশাদ মাথায় গুরুতর আঘাত পান। অন্য মোটরসাইকেলের আরোহী সামান্য আহত হন। গতকাল রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এরশাদ মারা যান।