
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. আজিম উল্লাহ বাহার ১৪–দলীয় জোটের তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমার দুই ভাই শিবিরের কোন মিটিংয়ে (সভা) উপস্থিত ছিল? তাঁরা শিবিরের কোন পদে ছিল? এখনো কোনো পদে তারা আছে কি? এটা ভান্ডারী বলুক। তিনি (ভান্ডারী) আজব অভিযোগ করেছেন। তিনি মিথ্যাচার করছেন।’
আজিম উল্লাহ বাহার আরও বলেন, তাঁর কোনো ভাই হত্যা মামলার আসামি নন। রাজনীতির মাঠ গরম করতে ভান্ডারী মিথ্যাচার করছেন।
আগামী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী দাবি করে বাহার বলেন, ফটিকছড়ি বিএনপির ঘাঁটি। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলে ধানের শীষ প্রতীকের জয় ঠেকানো যাবে না। জয় নিশ্চিত করতে কৌশল নিয়ে বিএনপি কাজ করছে।
কৌশলের ধরন জানতে চাইলে বাহার বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কেন্দ্রগুলোতে বাধা তৈরি করবে। মিথ্যা মামলা দিয়ে অসংখ্য নেতা–কর্মীকে হয়রানি করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষ একবার জেগে উঠলে কেউ তা রুখতে পারেব না। তাই আমরা কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কৌশল হচ্ছে দলে দলে নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা ভোটকেন্দ্রে যাবেন। প্রতিটি কেন্দ্র ভোর থেকে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দেবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে শত শত নেতা–কর্মী অবস্থান নেবেন।’
বিএনপির প্রার্থী বাহার বলেন, এলাকায় দলের প্রত্যেক নেতা–কর্মীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গ্রেপ্তারও হচ্ছেন কেউ কেউ। এসব করে বিএনপি বা জোটের নেতা–কর্মীদের মনোবল ভেঙে ফেলা যাবে না। পুলিশের যত অভিযান হবে, ততই চাঙা হবে নেতা–কর্মীরা।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাহার বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠ সবার জন্য সমান থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন একটি প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করেনি। সরকারি দল এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে নির্বাচন কমিশন। এরপরও জনতার ঢল নামবে বলে আমরা আশাবাদী।’