
নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুটি পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মাধবদীর ভগীরথপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন ও শিবপুরের ঘাসিরদিয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার বেলা দেড়টার কাছাকাছি সময়ে এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। দুর্ঘটনা দুটিতে আহত হয়েছেন মোট ১০ জন।
নিহত তিনজন হলেন রংপুরের পীরগঞ্জের বাঘজোয়ার গ্রামের মো. তালিমের ছেলে আবদুর রাজ্জাক (২৮), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত আবদুল লতিফের ছেলে মো. মামুন (২০) ও নরসিংদীর শিবপুরের আল আমিন (২০)।
পুলিশ বলছে, আজ দুপুরে মাধবদীর ভগীরথপুরের পাকিজা টেক্সটাইল মিলের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. মামুন ও আবদুর রাজ্জাক নামের দুই যাত্রী নিহত হন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী তিশা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে সেটির সঙ্গে নরসিংদী থেকে গাউছিয়াগামী রংধনু পরিবহনের লোকাল বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মামুন। গুরুতর আহত অবস্থায় অপর যাত্রী রংপুরের পীরগঞ্জের আবদুর রাজ্জাককে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন । এই ঘটনায় উভয় বাসের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবদী থানার উপপরিদর্শক উত্তম কুমার বিশ্বাস জানান, দুজনের মরদেহ তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে মহাসড়কের শিবপুরের ঘাসিরদিয়ায় আল আমিন নামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দিলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপর একটি অটোকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আল আমিন নিহত হন। এ ঘটনায় অটোর আরও তিনজন যাত্রী আহত হয়েছেন।
ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, আল আমিনের লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।