নোয়াখালীতে আরও তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁরা তিনজনই বেগমগঞ্জ উপজেলার। তাদের মধ্যে মা-ছেলে দুজন আর অপরজন ব্যবসায়ী। এ নিয়ে জেলায় ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হলো। পাঁচজনই বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অসীম কুমার দাস প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল বুধবার চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) থেকে বেগমগঞ্জের তিনজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ওই তিন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। তখন তাঁদের হালকা সর্দি, জ্বর ও কাশি ছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, এই তিনজনের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন তাঁদের চিহ্নিত করে নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম প্রথম আলোকে বলেন, নতুন যাঁদের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে তাঁদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগেই লকডাউন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। এখন লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জেলা সিভিল সার্জন মো. মোমিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ নিয়ে জেলায় ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনই বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। ১০ জনের মধ্যে দুজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে মারা যাওয়ার পর। বর্তমানে আক্রান্ত আটজনের মধ্যে পাঁচজন বেগমগঞ্জ উপজেলায়। বাকি তিনজন সোনাইমুড়ী, কবিরহাট ও সদর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁরা সবাই বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কারো অবস্থাই গুরুতর নয়।