
করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ শিথিলের পর কাল বৃহস্পতিবার থেকে আদালত কীভাবে চলবে, এর নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিটি আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, করোনাভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাল বৃহস্পতিবার থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে অধস্তন দেওয়ানি, ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে সব ধরনের শুনানি করা যাবে। তবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে অধস্তন দেওয়ানি আদালত ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন আদালতে মামলা করা যাবে। একই সঙ্গে শারীরিক উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণপূর্বক সাকসেশন ও অভিভাবকত্ব নির্ধারণবিষয়ক শুনানি ও নিষ্পত্তি করা যাবে।
আসামির আত্মসমর্পণের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিরা অধস্তন ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে শারীরিক উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণের আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে শুনানি কার্যক্রমের পদ্ধতি ও সময়সূচি এমনভাবে নির্ধারণ ও সমন্বয় করতে হবে, যাতে আদালত প্রাঙ্গণে এবং আদালত ভবনে কোনোরূপ জনসমাগম না ঘটে। আত্মসমর্পণ দরখাস্ত শারীরিক উপস্থিতিতে শুনানির সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী ব্যতীত অন্য কোনো আইনজীবী এজলাসকক্ষে অবস্থান করবেন না।
এ ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন।