খালের নাম সুন্দরমুখ। দেখতে সুন্দর বলেই হয়তো সুন্দরবনের এই খালটির নাম এমন। তবে কোনো খালের নাম যে ভাইজোড় হতে পারে তাও জানা গেল। এমন অনেক জানা-অজানা তথ্যের সমাবেশ ঘটেছে সুন্দরবনস অ্যাটলাস, বাংলাদেশ ফরেস্ট কম্পার্টমেন্ট ম্যাপস অ্যান্ড গেজেটিয়ার নামের বইটিতে।
বইটি প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড)। সংস্থাটি গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনের সম্মেলনকক্ষে বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বন বিভাগ পুরো সুন্দরবনকে ৫৫টি অংশে (কম্পার্টমেন্ট) ভাগ করেছে। ‘সুন্দরবনস অ্যাটলাস’ বইয়েও এসব অংশের বিস্তারিত বর্ণনা, নদ-নদী ও খালের নাম রয়েছে। জার্মানির নাগরিক গারট্রুড নয়মান-ডেনসাউ ও হেলমুট ডেনসাউ এবং অস্ট্রিয়ার নাগরিক পিটার গার্নগ্রস ১৫ বছর ধরে সুন্দরবন এলাকায় ঘুরে ঘুরে এবং পুরোনো নথি ঘেঁটে প্রতিটি অংশের মানচিত্র তৈরি করেছেন। সুন্দরবনের প্রতিটি অংশের এতটা বিস্তারিত এবং তথ্যবহুল মানচিত্র এটাই প্রথম বলে জানান অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি প্রধান বনসংরক্ষক ইউনুস আলী।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানে গারট্রুড নয়মান-ডেনসাউ সুন্দরবন নিয়ে তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘সবাই যাতে সুন্দরবনকে ভালোমতো দেখতে পারেন, সে জন্যই আমাদের এই মানচিত্র।’ সেডের প্রধান নির্বাহী ফিলিপ গাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ও সুন্দরবন গবেষকেরা বক্তব্য দেন।