
রাজধানীর অনেক রাজপথেই মৃত্যুকূপ হয়ে আছে খোলা ম্যানহোল। মোটরসাইকেল নিয়ে এমনই এক খোলা ম্যানহোলে পড়ে মারাত্মক আহত হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউর রহমান (৩২)। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে অচেতন ছিলেন দুই দিন। চিকিৎসা নেওয়ার দুদিন পর ১৫ এপ্রিল তাঁর জ্ঞান ফিরে আসে।
রেজাউরকে তত্ত্বাবধানকারী বেসরকারি স্কয়ার হাসপাতালের কনসালট্যান্ট রেজাউস সাত্তার প্রথম আলোকে বলেছেন, ১৫ এপ্রিল রেজাউরের জ্ঞান ফিরে এসেছে। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গত রোববার তাঁকে অস্থায়ী ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফির এলেও পুরোপুরি সেরে উঠতে অন্তত সাড়ে তিন মাস লাগবে।
সূত্র জানায়, ১৩ এপ্রিল রাতে ধানমন্ডির ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক রেজাউর রহমান পাঠাওয়ের নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের চালকের পেছনে বসে বাসায় ফিরছিলেন। শ্যামলী সিনেমা হল-সংলগ্ন প্রধান সড়কে মোটরসাইকেলের সামনের চাকা খোলা ম্যানহোলে পড়ে গেলে রেজাউর ছিটকে রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান। এতে তিনি অচেতন হয়ে যান। মোটরসাইকেলের চালকের হাত ভেঙে যায়। ইমরান নামের এক পথচারী রেজাউরকে শেরেবাংলা নগরের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে দেখতে পান, রেজাউরের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ইমরান রেজাউরের মুঠোফোন দিয়ে তাঁর (রেজাউর) স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। এরপর তাঁরা এসে রেজাউরকে পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান।
রেজাউর রহমান সপরিবার ইব্রাহিমপুর থাকেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক এবং অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন।