প্রথম সন্তানের বয়স সাড়ে চার বছর। দ্বিতীয় সন্তানের মাত্র সাত মাস। মা-বাবা, সন্তান সবার জন্য অসম্ভব সুন্দর সময় এটি। কিন্তু মা শারমিন সুলতানার শরীরে শনাক্ত হয়েছে ক্যানসার! অগ্ন্যাশয়ে বিস্তৃত হয়েছে দুরারোগ্য অসুখটি।
মায়ের এ যন্ত্রণা ছোট্ট দুই সন্তানের বোঝার কথা নয়। কিন্তু সন্তানদের বাবা? তিনি পাগলপ্রায়। বায়িং হাউসে কর্মরত খালেদ হোসেন কেবল শারমিনের স্বামীই নন, বন্ধুও। দুজনেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ফলে তাঁদের সব বন্ধুও এই দুঃসংবাদে ব্যাকুল। সময় তো খুব বেশি পার হয়নি। ২০১১ সালে কেবল উদ্ভিদবিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করল।
ভারতের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে রোগ শনাক্তকরণ ও প্রথম ধাপের চিকিৎসা শেষ হয়েছে। চিকিৎসকেরা আশাবাদী, আরোগ্য সম্ভব। পরিবার প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছে। এখন থামার সুযোগ নেই। কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য কমছে। প্রয়োজনীয় অঙ্কটিও বড়, প্রায় ৪০ লাখ। এখনই সম্মিলিত প্রয়াস দরকার।
খালেদ হোসেন রানা, হিসাব নম্বর: ২০৫০১৭১০২০২৭৭৬৬০৬, ইসলামী ব্যাংক, মাধবদী শাখা, নরসিংদী। বিকাশ নম্বর: ০১৯১১৫২৩০৫৯ ও ০১৯১০৭৪৭৮৭১। বিজ্ঞপ্তি