নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামলকান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে আদালতে তিনটি মামলার আবেদন করা হয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, শিক্ষার্থী রিফাতকে মারধর ও এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান শরীফের আদালতে মামলাগুলোর আবেদন করেন তিন ব্যক্তি।
শুনানি শেষে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও শিক্ষার্থী রিফাতকে মারধরের মামলার আবেদন দুটি খারিজ করে দেন আদালত। আর ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের মামলার আবেদনটি আদেশের জন্য শনিবার ধার্য করা হয়।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় সাংসদের উপস্থিতিতে কান ধরে ওঠবস ও লাঞ্ছিত করার ঘটনার দুই মাস পর গতকাল শ্যামলকান্তির বিরুদ্ধে তিনটি মামলার ওই আবেদন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ আদালতে পুলিশের এসআই সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশে শিক্ষক শ্যামলকান্তির বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তাই আদালত ২০৩ ধারায় রিনা বেগম ও সামছুল হকের মামলার আবেদন খারিজ করে দেন। অপর মামলার আবেদনের ব্যাপারে শনিবার আদেশের জন্য ধার্য করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কথা বলতে শিক্ষক শ্যামলকান্তি ভক্তের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ এনে গত ১৩ মে পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামলকান্তিকে শারীরিক নির্যাতন ও জাতীয় পার্টির স্থানীয় সাংসদ সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে কান ধরে ওঠবস করানো হয়, যা সারা দেশে তোলপাড়ের সৃষ্টি করে।