
জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদের প্রধান এই জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মাদ মালেক জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে ইমামতি করেন। নামাজ শেষে তিনি খুতবা পাঠ করেন। খুতবার পর সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলিমরা জুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, তাঁদের হেফাজত ও মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার যে ত্যাগ, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা, তা ব্যক্তিজীবন ও সমাজজীবনে ধারণ করার তৌফিক কামনা করা হয়।
ঈদের জামাত ঘিরে সকাল থেকেই জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোরের পর থেকেই মুসল্লিরা ঈদগাহে আসতে শুরু করেন। কেউ এসেছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, কেউ বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে। নির্ধারিত ফটক দিয়ে নিরাপত্তাতল্লাশি শেষে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।
জাতীয় ঈদগাহের মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় অতিথি, সাধারণ মুসল্লি ও নারীদের জন্য ছিল আলাদা প্রবেশপথ ও বসার ব্যবস্থা। ঈদগাহে অজু, সুপেয় পানি, শৌচাগার, চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়।
নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ উপস্থিত মুসল্লিরা একে অন্যের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জাতীয় ঈদগাহের ভেতর ও আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।