রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে আজ রোববার ঢাকার আদালতে হাজির করে পুলিশ
রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে আজ রোববার ঢাকার আদালতে হাজির করে পুলিশ

আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর আদেশ

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্য জানান।

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলিসংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাতে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। গত শুক্রবার বিকেলে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল শনিবার তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

রিমান্ড শেষে আজ আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তাঁর পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামির কাছে থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।

শুনানিতে আখতারুজ্জামানের জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তাঁর আইনজীবীরা। অন্যদিকে তাঁর জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদেশ দেন আদালত।

আখতারুজ্জামান কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে টানা দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাদশ সংসদের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নৌকার প্রার্থীর কাছে হেরে যান। এরপর ২০২৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন তিনি। তিনি একসময় কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।