সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট

চট্টগ্রামের দুই আদালত সাতকানিয়ায় স্থানান্তরের গেজেট স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তরের গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিটের ওপর আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন রেখেছেন হাইকোর্ট। শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার আদেশের এ দিন রাখেন।

এর আগে ৭ জানুয়ারি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৪ থেকে আদালত দুটি স্থানান্তর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনের ভাষ্য, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১১ ধারার (২এ) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার সাতকানিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও লোহাগাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম জেলা সদর হতে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তর করল। এই প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে সেক্রেটারি জেনারেল ওই রিটটি করেন। শুনানির জন্য রিটটি আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ৬২ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা বাদল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আহসান হাবীব ও সাদিয়া আফরিন শাপলা এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রায়হানুল মোস্তফা।

ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিটটি করা হয়েছে বলে জানান রিট আবেদনকারীপক্ষের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা বাদল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগের পৃথক্‌করণ বিষয়ে বলা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরু করার পর কোর্টের গঠন নিয়ে কোনো আদেশ দিতে পারে না মন্ত্রণালয়। এর আগে আড়াইহাজার থানায় ও আরেকটি স্থানে মন্ত্রণালয়ের আদেশে কোর্ট গঠন হয়েছিল। এ নিয়ে রিট হলে হাইকোর্ট মন্ত্রণালয়ে প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে, যা পরে আপিল বিভাগ বহাল রাখেন। এ দিকগুলো তুলে ধরে রিটটি করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন রেখেছেন।’