একটি মামলায় হবিগঞ্জ–৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমনকে হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
একটি মামলায় হবিগঞ্জ–৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমনকে হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

দুই মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হকের জামিন স্থগিত

রাজধানীর আদাবর ও যাত্রাবাড়ী থানায় করা পৃথক দুই মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হকের (ব্যারিস্টার সুমন) জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যার অভিযোগে করা আদাবর থানার মামলায় ৮ জুন হাইকোর্ট রুল দিয়ে সায়েদুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। হত্যার অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানায় করা অপর মামলায় পরদিন হাইকোর্ট রুলসহ সায়েদুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই দুই মামলায় দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে, যা চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। সুমনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. খুররম শাহ মুরাদ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর মিরপুর থানায় করা হত্যাচেষ্টার অপর এক মামলায় গত ৩ মে হাইকোর্ট থেকে জামিন (রুলসহ) পান সায়েদুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ১১ মে আপিল বিভাগ জামিন বহাল রাখেন।

সুমনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে, জানিয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার পৃথক দুই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। মিরপুর থানায় করা হত্যাচেষ্টার এক মামলায় তাঁর জামিন বহাল আছে। ছয় মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন প্রশ্নে রুল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২২ অক্টোবর সৈয়দ সায়েদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন তিনি।