
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় কমবেশি ৪০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিজানুল ইসলাম এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনার পাশাপাশি এ মামলার আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এর মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক। আর গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এ মামলায় ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হয়েছেন।
আজ এ মামলায় ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন সিলেটের স্থানীয় দৈনিক একাত্তরের কথার ফটোসাংবাদিক মো. মোহিদ হোসেন, সিলেটের আরেক সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাসনাৎ আল মতিন, ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) ট্রমা ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের ওয়ারেন্ট অফিসার তারেক নাছরুল্যাহ, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের সহকারী পরিচালক মো. রশিদুল আলম এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার রাহাত–বিন–কাশেম। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এ মামলায় ৩৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিলেন।
আজকে সাক্ষীদের জবানবন্দি দেওয়ার এক পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।
এ সময় একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিলেন। আপনি এর আগে বলেছিলেন, ৪০ জনের মতো সাক্ষী জবানবন্দি দিতে পারেন। এখন কী বলবেন?
জবাবে মিজানুল ইসলাম বলেন, এ মামলায় প্লাস–মাইনাস (কমবেশি) ৪০ জনের মতো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হতে পারে। তাহলে সাক্ষ্য গ্রহণ কি এ সপ্তাহে শেষ হয়ে যাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মামলায় চলতি সপ্তাহে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হচ্ছে না।
সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জবানবন্দি কবে গ্রহণ করা হবে জানতে চাইলে মিজানুল ইসলাম বলেন, তাঁর জবানবন্দি হয় এ সপ্তাহে, না হয় পরের সপ্তাহে গ্রহণ করা হবে।