মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও এ এস এম মাকসুদ কামাল
মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও এ এস এম মাকসুদ কামাল

মানবতাবিরোধী অপরাধ

জাফর ইকবাল, মাকসুদ কামালসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লেখক-অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।

জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামাল ছাড়াও এই মামলার অপর আসামিরা হলেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির (শয়ন) ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

আসামিদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, জামাল উদ্দীন ও তানভীর হাসান সৈকত গ্রেপ্তার আছেন। বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিং করেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও পুলিশকে হামলা চালানোর জন্য উসকানিমূলক বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্যসহ বেশ কিছু লোক। তাঁরা ষড়যন্ত্র, অ্যাটেম্পট (চেষ্টা) ও অ্যাবেটমেন্ট (প্ররোচনা) করেন। এসব অভিযোগই আনা হয়েছে।

প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, কিছু শিক্ষকও আছেন তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, শেখ হাসিনা যখন আন্দোলনকারীদের রাজাকারের নাতিপুতি বা রাজাকারের বাচ্চা বলে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, তারপর তাঁরা এ বক্তব্য ‘ক্যারি আউট’ করে তাঁদের সাবর্ডিনেটদের (অধীনস্থ) দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতন চালান। ছাত্রদের হত্যা ও নির্যাতন করতে শেখ হাসিনার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন।