রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পৌর ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের পরিমাপে কারচুপি ধরতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পৌর ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের পরিমাপে কারচুপি ধরতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১০ লিটার জ্বালানিতে ৫৩০ মিলিলিটার কম, যাত্রাবাড়ীতে ফিলিং স্টেশন বন্ধ করল বিএসটিআই

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পৌর ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের পরিমাপে কারচুপির প্রমাণ পাওয়ায় সেটির পাঁচটি ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে একটি অকটেন ও চারটি ডিজেল ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৩০০ থেকে ৫৩০ মিলিলিটার পর্যন্ত তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল ইসলামের নেতৃত্বে সোমবার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালান। অভিযানে ফিলিং স্টেশনটির পাঁচটি ডিসপেন্সিং ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ যাচাই করা হয়।

বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটির অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৫৩০ মিলিলিটারের বেশি তেল কম পাওয়া যায়। এ ছাড়া চারটি ডিজেল ইউনিটে যথাক্রমে ৩৩০, ৩০০, ৩৪০ ও ৩২০ মিলিলিটার করে তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। অথচ এ ক্ষেত্রে অনুমোদিত সহনীয় সীমার ঘাটতি সর্বোচ্চ ৩০ মিলিলিটার।

এ ঘটনায় ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পাঁচটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় ফিলিং স্টেশনটিকে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে পাঁচটি ডিসপেন্সিং ইউনিটের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং পরিমাপ দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিদিন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ লিটার এবং অন্যান্য যানবাহন প্রায় ৫ হাজার লিটার অকটেন ও ডিজেল নিয়ে থাকে। বিপুল পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি হওয়া এ স্টেশনের প্রতিটি ইউনিটে পরিমাপে ঘাটতি থাকায় ক্রেতারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছিলেন।

জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই।