পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা
পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা

পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানা এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার পল্লবী থানার নারী ও শিশু জিআর শাখায় তদন্ত কর্মকর্তা এই অভিযোগপত্র জমা দেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান প্রথম আলোকে বিষয়টি জানান।

বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে শুনানি হবে। তিনি বলেন, এ মামলায় আজই অভিযোগ গঠনের শুনানি হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

গত বুধবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত তোলা হয়। শুনানি শেষে তাঁকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি সোহেল রানা গত বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পরদিন গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি।

নৃশংস এ ঘটনার পর নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষসহ নানা দল ও সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। গতকালও রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

ডিএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে।