আদালত
আদালত

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আরেক শিক্ষার্থী রিমান্ড শেষে কারাগারে

রাজধানীর রামপুরার বনশ্রীতে মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় রিমান্ড শেষে এজাহারভুক্ত আসামি শিক্ষার্থী মো. শিহাব হোসেনকে (১৯) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে শিহাবকে ঢাকার আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম। শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল কালাম আজাদ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯ মে রাত ১০টার দিকে রামপুরা থানাধীন বনশ্রীর একটি মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, গলায় গামছা পেঁচিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে সুরতহাল তৈরির সময় পুলিশ এমন আলামত দেখতে পায়, যা ইঙ্গিত দেয় যে শিশুটি অস্বাভাবিক যৌনাচারের শিকার হয়েছিল।

এ ঘটনার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা শিহাব নামের আরেক শিক্ষার্থীর বিষয়ে তথ্য দেয়।

ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর থেকেই শিহাব পলাতক ছিল। পরে ২০ মে রাতে পাবনা থেকে শিহাবকে গ্রেপ্তার করে রামপুরা থানা-পুলিশ। পরদিন আদালত তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ ঘটনায় নিহত শিশুটির মা রামপুরা থানায় শিহাবের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগও আনা হয়।