মিজান বেগমের (৪৬) বাড়ি কিশোরগঞ্জে। মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন চিকিৎসকের কাছে। হাসপাতালের সামনের সড়ক পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন। গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত এই নারী পরে হাসপাতালে মারা গেছেন।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার, রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের সড়ক বিভাজকে। এ ছাড়া একই দিনে শাওন হোসেন নামে ১৭ বছরের এক কিশোর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়ি থেকে মেয়ে রিমাকে (১৪) সঙ্গে নিয়ে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক দেখাতে এসেছিলেন মিজান বেগম। দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালের সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় একটি মোটরসাইকেল দেখে আতঙ্কিত হয়ে পেছনে সরে যান তিনি।
এ সময় সড়ক বিভাজকের ওপর পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান মিজান বেগম।
প্রথমে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ওই নারীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ক্যান্টনমেন্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
নিহতের ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বোনের স্বামীর নাম মোহাম্মদ আলী। পরিবারসহ কিশোরগঞ্জ সদরের সুলতানপুরে থাকতেন তাঁর বোন।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ায় বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে বাসচালকের সহকারী শাওন হোসেন (১৭) নিহত হয়েছেন।
ডিটিএল পরিবহনের বাসটি রাজধানীর গুলিস্তান থেকে রূপগঞ্জের গাউছিয়া রোডে চলাচল করে।
যাত্রাবাড়ী থানার এসআই শাহিন হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে ও ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। বাসচালকের সহকারী শাওনের বাড়ি ফরিদপুরে।