জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থী গবেষকের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন। এ সময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থী গবেষকের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন। এ সময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৪২ শিক্ষার্থীকে সাড়ে ৯৫ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান প্রদান

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর (থিসিস), এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের ৬৪২ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গবেষণার জন্য তাঁদের মোট ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪০ টাকা প্রদান করা হয়েছে।

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই অনুদান দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। তবে যাঁরা উপস্থিত হতে পারেননি, তাঁদের অনুদানের অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (ইএফটিএন) মাধ্যমে সরাসরি নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর (থিসিস) পর্যায়ের ৪৯৮ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ৯ হাজার ৯৮০ টাকা করে মোট ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৪০ টাকা দেওয়া হয়েছে। এমফিল ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ৪৯ জন শিক্ষার্থী পেয়েছেন জনপ্রতি ২৪ হাজার টাকা করে মোট ১১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পিএইচডি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ৪০ জন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের (২য় বার) ২৫ জন এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের (২য় বার) ৩০ জনসহ মোট ৯৫ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ৩৬ হাজার টাকা করে মোট ৩৪ লাখ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘গবেষকদের গবেষণা অনুদানের চেক হস্তান্তর করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আগের শিক্ষাবর্ষের তুলনায় বর্তমানে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে গবেষণায়। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত উচ্চতায় পৌঁছাতে হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহির সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন বলেন, ‘আপনাদেরকে সামান্য অনুদান তুলে দিতে পেরে আমরা সত্যিকার আনন্দিত। গবেষণা যাতে মানসম্পন্ন হয়, সেদিকে আমাদের মনোযোগ দিতে হবে।’

অনুদান পাওয়ার পর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এমফিল ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ‘গবেষণাকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এবং ভবিষ্যৎ গবেষকদের অনুপ্রাণিত করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক শেখ মো. গিয়াস উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।