
টানা তিন দিনের অবরোধের প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার। সকাল সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় যান চলাচল প্রায় স্বাভাবিক ছিল। সকাল ১০টার পরেও বিভিন্ন জায়গায় যান চলাচল প্রায় স্বাভাবিক দেখা গেছে।
সকাল সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত রাজধানীর গ্রিন রোড, তেজগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, নাবিস্কো, পান্থপথ, কলাবাগান, কারওয়ান বাজার, খিলক্ষেত, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, খেজুরবাগান এলাকায় রাস্তায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা বেশি দেখা গেছে। বাস চলাচলও ছিল প্রায় অন্যান্য দিনের মতোই। এ সময় প্রাইভেট কার কিছুটা কম চলতে দেখা গেছে।
কারওয়ান বাজারে সকালে মালবাহী পিকআপ ও ট্রাক চলতে দেখা গেছে। ঢাকায় ট্রেন ঢুকতে দেখা গেছে সকাল আটটার দিকে।
আজ সকাল থেকে আগামী ২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত সারা দেশে মহাসড়ক, রেল ও নৌপথে অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। জামায়াতে ইসলামীও এই তিন দিন অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে।
পান্থপথ মোড়, সার্ক ফোয়ারা, শেওড়াপাড়া, খেজুরবাগান, পল্টনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। গাড়িতে পুলিশ ও র্যাবকে বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিতে দেখা গেছে।
বিএনপির অবরোধ শুরুর আগের রাতে চট্টগ্রাম ও গাজীপুরে তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় কেউ কেউ হতাহত হয়নি। ফায়ার সার্ভিস বলেছে, চট্টগ্রামে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটে নগরের দামপাড়া বাস কাউন্টারের সামনে। রাত ৯টা ৫০ মিনিটে মিনিবাসটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকা এবং শ্রীপুর উপজেলায় দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের বাসন থানার ইটাহাটা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে থেমে থাকা একটি বাসে রাত আটটার দিকে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় রাত আটটার দিকে অন্য বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়।
সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনে থাকা গণতন্ত্র মঞ্চসহ অন্য দল ও জোটগুলো বিএনপির অবরোধ কর্মসূচিতে সমর্থন দিয়েছে। আজ থেকে টানা তিন দিনের সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীও।