পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করেছেন চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনসংশ্লিষ্ট ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করেছেন চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনসংশ্লিষ্ট ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা

পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ৩ কমিটি বাতিলের দাবি, রাজধানীতে প্রচারপত্র বিলি

পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করেছেন চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনসংশ্লিষ্ট ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় পুরানা পল্টন মোড়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে পল্টন মোড় থেকে বিজয়নগর হয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কাছে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।

সমাবেশে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে সরকার নতুন করে সংকট তৈরি করছে। তিনি চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাবেক সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২৯ বছর পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

প্রচারপত্রে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তিনটি কমিটি গঠন করে। এগুলো হলো প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে জাতীয় কমিটি, স্বরাষ্ট্রসচিবকে সভাপতি করে নির্বাহী কমিটি এবং চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে পরামর্শক কমিটি। সংগঠনগুলোর অভিযোগ— এসব কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

কর্মসূচি থেকে আট দফা দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি কমিটি বাতিল, চুক্তি অনুযায়ী বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অপাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার, চুক্তি বাস্তবায়নে সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করা। এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে সংলাপ ও ভূমিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বহুপক্ষীয় আলোচনার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে হিল উইমেনস ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শান্তিদেবী তঞ্চঙ্গ্যা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (জাসদ) সভাপতি গৌতম শীল, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতাসহ বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।