
প্রথম আলোর আদলে ওয়েবসাইট বানিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে একজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ বিভাগ। আটক হওয়া ব্যক্তির নাম মো. ফিরোজ হোসেন। মঙ্গলবার মহাখালী ডিওএইচএস থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রথম আলোর করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশ ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ টুল ব্যবহার করে আসামিকে শনাক্ত করেন।
এর আগে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটির ওয়েবসাইট ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশের অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের (বিটিআরসি) সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ বিভাগ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নেয়। প্রথম আলোর নাম ব্যবহার করে করা অন্য সব ভুয়া ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ বলেছে, মো. ফিরোজ হোসেন মহাখালী ডিওএইচএসের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তিন হাজার টাকা দিয়ে তিনি একটি ডোমেইন কেনেন। এরপর থেকে ডোমেইনটি ব্যবহার করছিলেন তাঁর ছোট বোন। তবে ফিরোজের দাবি, প্রথম আলো নামটি তিনি দেননি। ওয়েবসাইট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান নিজেদের পছন্দে এই নামে সাইট খুলে দেয়। তাঁর কলেজপড়ুয়া ছোট বোন ওই সাইট থেকে চাকরিবাকরির খবর শেয়ার করতেন।
বেশ কিছুদিন ধরে প্রথম আলো নাম ও লোগো ব্যবহার করে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে বেশ কয়েকটি আইডি থেকে। এ নিয়ে প্রথম আলো বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে। তিনটি আইডির মধ্যে পুলিশ একটি শনাক্ত করেছে। অন্য দুটিও দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছে তারা।
প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে মুচলেকা নিয়ে পরে মো. ফিরোজ হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।