প্রায় তিন হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড

রাজধানীর ভেতরের ২ হাজার ৯০০ একর খাসজমি মহানগর জরিপে ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড করা হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি কীভাবে বেহাত হলো তার কারণ খোঁজা হচ্ছে। ভূমি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি এসব জমি পুনরায় খাসখতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।

গতকাল বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ভূমি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 সংসদীয় কমিটি ২ হাজার ৯০০ একর জমি ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরকে ঢাকার বেদখল হওয়া জমির মৌজাভিত্তিক মালিকানার তথ্য উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের জয়সাগর পুকুরসহ ৭০৮টি বেদখল হওয়া পুকুর  উদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যে সমস্ত জমির এখনো আরএস জরিপ সম্পন্ন হয়নি, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরিপের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

 নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিটির এক সদস্য প্রথম আলোকে জানান, প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অসাধু লোকজনের সহায়তা নিয়ে এসব জমির কাগজপত্র নিজের নামে করিয়ে নিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে এগুলো সরকারি জমি। রাজধানীর বাইরেও এ ধরনের বিপুল পরিমাণ বেহাত হওয়া জমি রয়েছে।

কমিটির সভাপতি রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মকবুল হোসেন, সামছুল আলম, এ কে এম মাঈদুল ইসলাম, গাজী ম. ম. আমজাদ হোসেন ও জাহান আরা বেগম অংশ নেন।