হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭ হাজার ৪০০টি ভায়াগ্রা, ছয়টি ছুরি, ক্যাপসুল-জাতীয় দ্রব্যভর্তি একটি কৌটা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাবের ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় গতকাল ‘অপারেশন আইরিন’ নামে এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে এগুলো উদ্ধার করেন শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, বেলা আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের ফ্রেইট ইউনিটের কুরিয়ার ও পোস্টাল শাখায় র্যাবের ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় তল্লাশি করা হয়। এ সময় একটি কৌটায় ক্যাপসুল-জাতীয় দ্রব্য পাওয়া যায়। এগুলো পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। এ ছাড়া বিমানবন্দরের জিপিও সটিং অফিস থেকে ৩০ কেজি ওজনের দুটি পার্সেল থেকে ৭ হাজার ৪০০টি ভায়াগ্রা ও বিভিন্ন আকারের ছয়টি ছুরি উদ্ধার করা হয়। আমদানি নীতি না মেনে ওষুধগুলো চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজারের প্রগতি মার্কেটের তসলিম নামের এক ব্যক্তির নামে দুবাই থেকে এসেছে। এর মূল্য এক লাখ টাকা। ক্যাপসুল এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ছুরিগুলো পার্সেল ঘোষণা ছাড়া গাজীপুরের জয়দেবপুরের কলোনি এলাকার দৈউলিয়ার মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ঠিকানায় এসেছে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে।
মইনুল খান আরও বলেন, গত তিন বছরে বিভিন্ন দেশের কাস্টমস প্রশাসন কর্তৃক এক হাজারের বেশি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরকের চালান আটক করা হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট কমিটি অব দ্য কাস্টমস কো-অপারেশন কাউন্সিলের পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসিয়ান ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এ ধরনের জিনিস আটকের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। ওই কমিটির ৩৫তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ ও নিরাপত্তার ঝুঁকিসংবলিত পণ্যের ব্যবসা বা পরিবহন ঠেকাতে ৪ জুলাই থেকে অপারেশন আইরিন নামে একটি আঞ্চলিক অভিযান শুরু হয়েছে। এটি চলবে ২৩ জুলাই পর্যন্ত।