
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের(চসিক) রাজস্ব শাখায় অভিযান চালিয়ে প্রাথমিকভাবে দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। বুধবার সকালে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে হঠাৎ অভিযান চালিয়ে দুদক কর্মকর্তারা এই প্রমাণ পান।
জানতে চাইলে দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক লুৎফুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে অধিক টাকা আদায় এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েছিলাম। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পরিদর্শকেরা নগদ টাকা নিচ্ছেন। সরকার নির্ধারিত ফি এর চেয়ে ক্ষেত্র বিশেষে দুই থেকে তিনগুণ বেশি টাকাও নেওয়া হচ্ছে।’
ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানোর পরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ট্রেড লাইসেন্স প্রদানে অনিয়ম-দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করতে বুধবার সকালে দুদকের একটি দল প্রথমে আন্দরকিল্লার নগর ভবনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কার্যালয়ে যায়। তাঁরা সুনির্দিষ্ট বেশ কয়েকটি অভিযোগ নিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নথিপত্র যাচাই বাছাই করেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে দুদক কর্মকর্তারা নগরের নিউমার্কেট এলাকার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের রাজস্ব সার্কেল-৪ এর কার্যালয়ে অভিযান শুরু করেন। দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে বিভিন্ন বিষয় জানতে চাওয়া ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথিপত্র খতিয়ে দেখেন তাঁরা।