প্রথমে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মি আহম্মেদের বাসায় অভিযান। তাঁকে না পেয়ে পুলিশ চলে যায়। পরে আবার গিয়ে তাঁর স্বামীকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হয়। ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে কথিত সমন্বয়কেরা আদায় করেন ১০ লাখ টাকা। কয়েক দিন পর বাকি ৪০ লাখ টাকা নিতে গিয়ে ধরা পড়েন পাঁচজন। পরে গ্রেপ্তার হন আরও একজন। গুলশানের এই ঘটনায় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পিবিআই।