প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার
প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার

দুর্নীতির মামলায় পি কে হালদারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া অভিযোগপত্র আদালত গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে পলাতক ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণের আদেশ দেন।

পি কে হালদার বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। তিনি এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, পলাতক ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সম্পর্কিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার ১৮ আসামির মধ্যে ছয়জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকি ১২ জন পলাতক। তাঁদের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ‘মুন এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভুয়া নথি তৈরি করেন। এসব নথি ব্যবহার করে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে তা পাচার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি দুদকের উপসহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পি কে হালদার ২০২২ সালের ১৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দেশটির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। এর পর থেকে তিনি ভারতে কারাবন্দী।