কারাগার
কারাগার

অন্যদের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে জনপ্রশাসনে নিয়োগ পাওয়া ৪ জন কারাগারে

অন্যদের মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়ে গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদের আদালত এ আদেশ দেন।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মো. আ. আলিম, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার মো. আলী হায়দার, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার মো. রাসেল রানা লিটন এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মো. মাসুদ ফকির।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আদালতে আসামিদের হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী নাজনীন আক্তার ও মো. মনির হোসাইন জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত জামিন আবেদনের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত রোববার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে সচিবালয় থেকে ওই চারজনকে আটক করে শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এরপর গত ১৯ জুন লিখিত পরীক্ষা এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নির্বাচিত প্রার্থীদের রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল।

এজাহারে আরও বলা হয়, যোগ দিতে আসার পর চারজনের আচরণ ও চেহারা সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ছবির সঙ্গে তাঁদের মুখমণ্ডল মিলিয়ে দেখা হয়। ফেস ভেরিফিকেশনে অসংগতি ধরা পড়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেন, অর্থের বিনিময়ে অন্যদের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে তাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন।