
রাজধানীর রায়েরবাজারে জিহাদ (২০) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. পারভেজকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রায়েরবাজারের হাশেম খান সড়ক এলাকা থেকে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. জুয়েল রানা এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, জিহাদের ব্যবহৃত মুঠোফোনটি পারভেজের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পারভেজ এ হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
নিহত জিহাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে। তাঁর বাবার নাম মো. মোশারফ হোসেন। পেশায় মুঠোফোন মেরামতকারী জিহাদ রায়েরবাজারের হাশেম খান সড়ক এলাকায় থাকতেন। এ ঘটনায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে।
অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, জিহাদের সঙ্গে পারভেজসহ অন্য আসামিদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। মুঠোফোন নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে গত রোববার রাতে আসামিরা জিহাদকে মারধর করেন এবং তাঁর মুঠোফোনটি নিয়ে যান। পরদিন সোমবার দুপুরের দিকে জিহাদকে তাঁর বাসার সামনে ফেলে চলে যান পারভেজ।
জিহাদকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাতে তাঁকে উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জিহাদের মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা উত্তরার হাসপাতালটিতে গিয়ে লাশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ পুলিশ মামলার আসামি পারভেজকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।