আদালত
আদালত

দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি, আসামি মঞ্জুরুল রিমান্ডে

রাজধানীর কদমতলীর শনির আখড়া এলাকায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ী আসলাম খানকে গুলি করার ঘটনায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় আসামি মঞ্জুরুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবদুস ছবুর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

৫ সেপ্টেম্বর (গত শনিবার) রাত সোয়া আটটার দিকে কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়া-শনির আখড়া এলাকায় ক্রোকারিজের একটি দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ী মো. আসলাম খানকে গুলি করা হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মঞ্জুরুল ইসলামকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ২টি পিস্তল, ৯টি গুলি ও ১টি গুলির খোসা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

গুলিবিদ্ধ আসলামকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। এ ঘটনায় কদমতলী থানার এসআই অশোক কুমার সরকার বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঞ্জুরুলকে গত রোববার কারাগারে পাঠানো হয়। ওই দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই মিঠুন মণ্ডল আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজকের দিন রাখেন।

এদিন শুনানিকালে মঞ্জুরুলকে আদালতে হাজির করা হয়, তবে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

শুনানিতে আসামির কিছু বলার আছে কি না, তা জানতে চান বিচারক। এ সময় মঞ্জুরুল বলেন, ‘আমি গুলি করিনি। গুলি করছে জসীম। জসীম জুরাইনে কালা মীরের ডান হাত। আমার কাছে কিছু পায় নাই। আমার স্ত্রী আর মেয়ের ছবি দেখিয়ে আমাকে জিম্মি করে নিয়ে আসছে। সিএনজিতে মহাখালী থেকে নিয়ে আসে। জসীম বলছে, না গেলে ওদের (স্ত্রী-মেয়ের) ক্ষতি করবে, মেরে ফেলবে। আমাকে বাধ্য করছে নিয়ে আসতে। আমি কিছু করিনি। লোকজন আমাকে মারধর করে কি করছে দেখেন।’ শুনানি শেষে আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা মিঠুন মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, আসামির কাছে দুটি অস্ত্র পাওয়া গেছে। তদন্ত চলছে। আর হত্যাচেষ্টা মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচজন আসামি ছাড়াও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।