লাশ
লাশ

স্ত্রী কর্মস্থলে, বাসায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা; বোন ও ভগ্নিপতি আটক

কাজ শেষে রাতে বাসায় ফিরে স্বামীর রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান সাদিয়া আক্তার। রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুরের একটি বাসার পঞ্চম তলার টিনশেড কক্ষে খাটের ওপর পড়ে ছিল ফখরুল হাসান ফরহাদের (৪৪) নিথর দেহ। তাঁর গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই বাসা থেকে ফখরুলের লাশ উদ্ধার করে শাহজাহানপুর থানার পুলিশ। নিহত ফখরুল মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে।

পুলিশ বলছে, ফখরুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ফখরুলের বোন নিপা ও তাঁর স্বামী সুজনকে আটক করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার শাহজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফখরুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ফখরুলের ভাগনি আরমিনা আক্তারের অভিযোগ, ফখরুল হাসান তাঁর খালু হন। ফখরুল যে বাসায় স্ত্রী সাদিয়া আক্তারকে নিয়ে থাকতেন, সেটি তাঁর নানির সম্পত্তি। ওই দম্পতির কোনো সন্তান নেই। ফখরুল মারা গেলে ওই সম্পত্তি বোন নিপা ও ভগ্নিপতি সুজন পেয়ে যাবেন—এমন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এ কারণে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

আরমিনা আরও বলেন, সাদিয়া আক্তার একটি পাঞ্জাবি কারখানায় কাজ করেন। ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থলে ছিলেন। রাতে বাসায় ফিরে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এসআই মেহেদী হাসানের করা সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফখরুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।