পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সেগুলো প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে এক তরুণীকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। একই সঙ্গে ওই তরুণীর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুক (৩০) নামের এক যুবককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় ওই তরুণীর ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেসব বিক্রির বিজ্ঞাপন দৃষ্টিগোচর হয়। মুঠোফোনভিত্তিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো।
এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরে ওই তরুণীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড্ডার লিংক রোড এলাকা থেকে খাজা সাকলাইনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম জানার পরও উপার্জনে সম্মতি থাকা এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে তাঁর বাবাকেও আসামি করা হয়েছে মামলায়।
ডিবি সাইবার সূত্র জানায়, এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আদালত এরই মধ্যে ওই তরুণীর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।